যে কোন বয়সেই পলিটেকনিকে ভর্তিতে আর কোন বাধা থাকছে না, শিথিল হচ্ছে যোগ্যতা

দেশী টুয়েন্টিফোরকে ছড়িয়ে দিন:


দক্ষ জনশক্তি নির্মানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার তৈরির প্রতিষ্ঠান পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট গুলো। এবং এই কার্যক্রম আরো একধাপ এগিয়ে গেলো নতুন পদক্ষেপের মাধ্যমে। চার বছর মেয়াদী ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্সে ভর্তির ক্ষেত্রে বয়সের আর কোনো বাধা থাকছে না বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। ভর্তিতে শিক্ষাগত যোগ্যতা শিথিল করাসহ ভর্তি ফি’ও কমানোর সিদ্ধান্তও নেয়া হয়েছে।
আজ বুধবার (১ জুলাই) কারিগরি শিক্ষার উন্নয়ন সংক্রান্ত এক ভার্চুয়াল সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিক্ষামন্ত্রী এ কথা বলেন।
সভায় ডিপ্লোমা কোর্সে ভর্তির ক্ষেত্রে ছেলেদের ন্যূনতম যোগ্যতা জিপিএ ৩ দশমিক ৫ থেকে কমিয়ে ২ দশমিক ৫ এবং মেয়েদের ক্ষেত্রে জিপিএ ৩ থেকে কমিয়ে ২ দশমিক ২৫ করার সিদ্ধান্ত দেন শিক্ষামন্ত্রী। পাশাপাশি ডিপ্লোমা কোর্সে ভর্তি ফি ১ হাজার ৮২৫ টাকা থেকে কমিয়ে ১ হাজার ৯০ টাকা করার বিষয়েও সিদ্ধান্ত দেন তিনি।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষিত রূপকল্প ৪১ বাস্তবায়নে সরকার কারিগরি শিক্ষায় সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। কারিগরি শিক্ষায় ভর্তির হার বৃদ্ধি ও বিদেশফেরত দক্ষ কর্মীদের প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে ডিপ্লোমা কোর্সে ভর্তির ক্ষেত্রে কোনো রকমের বয়সের সীমাবদ্ধতা রাখা হবে না। অনেক ব্যক্তির হয়তো প্রয়োজনীয় কারিগরি দক্ষতা আছে। কিন্তু তার প্রাতিষ্ঠানিক কোনো সার্টিফিকেট নেই। আবার সার্টিফিকেট না থাকার কারণে ভালো চাকরি পাচ্ছেন না, কিংবা চাকরি পেলেও ভালো বেতন পাচ্ছেন না। সেক্ষেত্রে ওই ব্যক্তি যদি চান এবং যদি তার প্রয়োজনীয় একাডেমিক যোগ্যতা থাকে, তাহলে তিনি ডিপ্লোমা কোর্সে ভর্তি হতে পারবেন।
ডা. দীপু মনি বলেন, কারিগরি শিক্ষায় ভর্তির হার বাড়ানোর লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে। বিদেশ ফেরত দক্ষ কর্মীদের প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতি দিতেও কাজ চলছে।
সভায় শিক্ষামন্ত্রী চলতি মাসের মধ্যে কারিগরি মাদ্রাসা বিভাগের শিক্ষকদের এমপিও এর অর্থ ছাড় করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন। সভায় পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট স্থাপনের নীতিমালা, মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর আইন-২০২০ ও নিয়োগবিধি প্রণয়নসহ কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।
কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মুনশী শাহাবুদ্দীনের সভাপতিত্বে শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী, মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক সফিউদ্দিন আহমেদ, কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. সানোয়ার হোসেন, মাদরাসা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক কায়সার আহমেদ, কারিগরি বোর্ডের চেয়ারম্যান ড. মো. মুরাদ হোসেন মোল্লাসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সভায় যুক্ত ছিলেন।


দেশী টুয়েন্টিফোরকে ছড়িয়ে দিন:

রিপ্লাই/মন্তব্য করুন

আপনার মন্তব্য লিখুন
এখানে আপনার নাম লিখুন