বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বা ডব্লিউিএইচও ছাড়ার আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মে মাসের শেষদিকে সংস্থাটি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন। করোনাভাইরাস মহামারিতে ডব্লিউএইচও চীনের হয়ে কাজ করছে এমন অভিযোগ করে ওই ঘোষণা দিয়েছিলেন ট্রাম্প। খবর বিবিসির।
ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং অন্যান্য দেশ সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের জন্য ট্রাম্পের প্রতি আহ্বান জানিয়েছিল। তবে ট্রাম্প বলেন, জাতিসংঘের এই সংস্থাটি থেকে বের হয়ে যাবে তার দেশ এবং ডব্লিউএইচও’র জন্য বরাদ্দ তহবিল অন্য জায়গায় দেয়া হবে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা থেকে বের হয়ে যাওয়ার ব্যাপারে জাতিসংঘ এবং মার্কিন কংগ্রেসকে অবহিত করেছেন ট্রাম্প। তবে পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে এক বছর পর্যন্ত সময় লাগতে পারে।
জাতিসংঘ মহাসচিবের মুখপাত্র স্টেফানে ডুজারিক যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে নোটিশ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। আগামী বছরের ৬ জুলাই সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে অর্থাৎ ওইদিন বিশ্ব স্বাস্থ্য থেকে বের হয়ে যাবে যুক্তরাষ্ট্র।
ডব্লিউএইচও থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ব্যাপারে কংগ্রেসও নোটিশ পেয়েছে বলে জানিয়েছেন ফরেন রিলেশন্স কমিটির ডেমোক্র্যাটিক নেতা ও সিনেটর রবার্ট মেনেনডেজ। এক টুইট বার্তায় তিনি লিখেন, একটি মহামারির মধ্যেই ডব্লিউএইচও থেকে যুক্তরাষ্ট্রের আনুষ্ঠানিকভাবে বেরিয়ে যাওয়ার ব্যাপারে মার্কিন প্রেসিডেন্টের নোটিশ পেয়েছে কংগ্রেস। তিনি বলেন, এর ফলে মার্কিনিরা অসুস্থ এবং একা হয়ে পড়বে।
উল্লেখ্য, নিয়ম অনুযায়ী-ডব্লিউএইচও ছাড়ার আগে এক বছরের নোটিশ দিতে হয় এবং এই সময়ের মধ্যে বাকি থাকা চাঁদা পরিশোধ করতে হবে। তবে যুক্তরাষ্ট্র এমনটা করবে কিনা সেটা এখনও স্পষ্ট নয়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থায় যুক্তরাষ্ট্রের চাঁদার পরিমাণই সবচেয়ে বেশি। ২০১৯ সালে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাকে ৪০ কোটি ডলারের বেশি তহবিল দিয়েছে; যা সংস্থাটির মোট বাজেটের ১৫ শতাংশের মতো।

মন্তব্য করুন

আপনার কমেন্ট লিখুন
আপনার নাম লিখুন