হেফাজতে ইসলামের সাবেক আমির আল্লামা আহমদ শফীকে হত্যার অভিযোগে আদালতে দায়ের করা মামলার তদন্তকাজ শুরু করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। মামলায় হেফাজতে ইসলামের আমীর জুনাইদ বাবুনগরীসহ অন্তত ১৬ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে পিবিআই। এর মধ্যে বাবুনগরী ছাড়া বাকিদের জবানবন্দি নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংস্থাটির কর্মকর্তারা।
আজ মঙ্গলবার (১২ জানুয়ারি) দুপুরে পিবিআই এর বিভাগীয় পুলিশ সুপার ইকবাল হোসেনর নেতৃত্বে তদন্ত দল হাটহাজারীর দারুল উলুম মঈনুল ইসলাম মাদরাসায় পৌঁছান। সেখানে হেফাজত ইসলামের বর্তমান আমীর মাওলানা জুনাইদ বাবুনগরীরসহ অন্যান্যদের সঙ্গে কথা বলেন তদন্ত সংশ্লিষ্টরা।
এ সময় পিবিআই কর্মকর্তা ইকবাল হোসেন বলেন, এজহারে যে সমস্ত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে, তার প্রত্যেকটি বিষয়টি পুঙ্খানুপুঙ্খ যাচাই বাছাই করা হবে। এছাড়া সাক্ষী নেয়া হবে, আলামত সংগ্রহ করা হবে। তদন্তের স্বার্থে যা কিছু করা প্রয়োজন তার সবকিছুই করা হবে।
গত ১৭ ডিসেম্বর চট্টগ্রাম আদালতে মামলাটি দায়ের করেন আল্লামা শফীর শ্যালক মোহাম্মদ মাঈনুদ্দিন। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে পিবিআইকে তদন্তের দায়িত্ব দিয়েছেন। এক মাসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে। এছাড়া এই মামলায় মাওলানা মামুনুল হক, নাছির উদ্দিন মুনির, আজিজুল হক ইসলামাবাদী, মীর ইদ্রিস, হাবিব উল্লাহ, আহসান উল্লাহ, জাকারিয়া নোমান ফয়েজী, নুরুজ্জামান নোমানী, আব্দুল মতিন, মো. শহীদুল্লাহ, মো. রিজওয়ান আরমান, মো. নজরুল ইসলাম, হাসানুজ্জামান, এনামুল হাসান ফারুকী, মীর সাজেদ, জাফর আহমদ, মীর জিয়াউদ্দিন, আহমদ, মাহমুদ, আসাদউল্লাহ, জোবায়ের মাহমুদ, এইচএম জুনায়েদ, আনোয়ার শাহ, আহমদ কামাল, নাছির উদ্দিন, কামরুল ইসলাম কাসেমী, মোহাম্মদ হাসান, ওবায়দুল্লাহ ওবাইদ, জুবায়ের, মোহাম্মদ, আমিনুল হক, রফিক সোহেল, মোবিনুল হক, নাঈম, হাফেজ সায়েম উল্লাহ, হাসান জামিলসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৮০-৯০ জনকে আসামি করা হয়েছে।

চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার মো. ইকবাল সাংবাদিকদের বলেন, ‘এজহারে যা উল্লেখ করা হয়েছে সব কিছুই তদন্ত করা হবে। লাশ উত্তোলনের প্রশ্নে তিনি বলেন এখনও এ রকম কোনো সিন্ধান্ত হয়নি। পিবিআই টিম ফটিকছড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছে।’

রিপ্লাই দিন

Please enter your comment!
Please enter your name here