বিষাক্ত একটি বছরকে বিদায় দিয়ে নতুন বছরের আগমন ঘটেছে। নতুন সূর্যকে বরণ করে নিতে সারা বিশ্ব উৎসবের আয়োজনে মুখর ছিল চারদিকে। তবে করোনা কারণে আগের বছরের মতো উৎস করার সুযোগ মেলেনি। তবে নিজ বাড়িতে বসেও লোকজনের আনন্দ উৎসব ছিল দেখার মতো। বাসার ছাদ ছিল লাল রঙ এর মেলা।
এ বছর বড় পরিসরে অনেক দেশে নিউ ইয়ারের উৎসব পালনের অনুমতি দেয়া হয়নি। তবে কোনও কোনও দেশে স্বাভাবিকভাবেই সবকিছু পালন করা হয়েছে। নতুন বছরকে বরণ করার সময় বিশ্বজুড়ে কমপক্ষে ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়াও বেশ কয়েকজন আহতও হয়েছেন।
শুক্রবার (১ জানুয়ারি) পুলিশ জানিয়েছে, নিউ ইয়ারের উৎসবের মাঝে বসনিয়ার দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের একটি কটেজে ৮ পুরুষ এবং এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে কার্বন মনোঅক্সাইড বিষক্রিয়ায় তাদের মৃত্যু হয়েছে।
বসনিয়া ও ক্রোয়েশিয়ার গণমাধ্যম জানিয়েছে, একটি জরুরি ফোনকল পেয়ে ত্রিবিসটোভো শহরের একটি বাড়িতে গিয়ে তারা বেশ কিছু মরদেহ উদ্ধার করেন। নিহত আটজনই শিক্ষার্থী।
তুরস্কে উৎসব পালন করার সময় আতশবাজিতে চোখে আঘাত পেয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন নরওয়ের ফুটবলার ওমর এলাবদেলাউয়ি। আঙ্কারার লিভ হসপিটালের চিকিৎসক ডা. ভেদাত কায়া জানিয়েছে, তার দুই চোখেই আঘাত লেগেছে। ফুটবলারের চোখ নষ্ট হয়নি। তবে তার একটি চোখের আঘাত গুরুতর।
ইরাকের এক স্বাস্থ্য কর্মকর্তা জানিয়েছেন, দেশটিতে নিউ ইয়ারের উৎসবে আতশবাজির কারণে বিভিন্ন দুর্ঘটনায় কমপক্ষে একজনের মৃত্যু হয়েছে এবং আরও ২৫ জন আহত হয়েছে। করোনা মহামারির কারণে গণজমায়েত ও আতশবাজি-সহ বিভিন্ন কার্যক্রমে সরকারের নিষেধাজ্ঞা থাকলেও ইরাকের বিভিন্ন স্থানে তা অমান্য করেই উৎসব করেছে মানুষ।
জার্মানির পশ্চিমাঞ্চলীয় ওসনাব্রুয়েক শহরে আরও একটি ঘটনায় আতশবাজি বিস্ফোরণে একজন গুরুতর আহত হয়েছেন। তার জীবন সংকটাপন্ন বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন। ওই ঘটনায় আরও দু’জন আহত হয়েছেন। এছাড়াও ফ্রান্সের পূর্বাঞ্চলে আতশবাজি বিস্ফোরণে ২৫ বছর বয়সী এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া জার্মানিতে বাড়িতে তৈরি আতশবাজি বিস্ফোরণে ২৪ বছর বয়সী এক তরুণের মৃত্যু হয়েছে।

রিপ্লাই দিন

Please enter your comment!
Please enter your name here