চট্টগ্রাম সংবাদঃ মোঃ রুবেল- চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন পরিচালিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে সরকারি নির্ধারিত টিউশন ফি ও প্রতি মাসের নির্ধারিত বেতনের চেয়ে অতিরিক্ত কোন ফি আদায় করা যাবে না। যদি চসিকের কোন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সরকারি নির্দেশনার বাইরে জোরপূর্বক কোন ফি আদায় করছে অভিযোগ পাওয়া যায়, তাহলে ওই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান ও সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন চসিক প্রসাশক খোরশেদ আলম সুজন।

করোনা পরিস্থিতিতে আয় উপার্জন কমে যাওয়ায় কোন অভিভাবকের যদি সন্তানের বেতন দিতে সমস্যা হয়, সে ক্ষেত্রে তা কিস্তিতে পরিশোধ এবং মওকুফের বিশেষ ব্যবস্থা নিবে কর্পোরেশেন। নগরবাসীকে এ নিয়ে কোন অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রশাসক। মঙ্গলবার বিকেলে ১৮নং পূর্ব বাকলিয়া সিটি কর্পোরেশন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের প্রথম গভর্নিং বডির সভায় একথা বলেন।
করোনা মহামারির দ্বিতীয় ঢেউয়ের কারণে, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক খোরশেদ আলম সুজন তাঁর ‘ক্যারাভান’ কর্মসূচি স্থগিত করে নগরীর প্রতি ওয়ার্ডে জনসমাবেশ এড়িয়ে সুরক্ষা নিয়ে জনসাধারনের সাথে মতবিনিময়ে যাচ্ছেন। স্কুল গভর্নিং কমিটি ও ওয়ার্ডের মতবিনিময় সভায় কর্পোরেশনের প্রধান শিক্ষা কর্মকর্তা সুমন বড়–য়া, প্রশাসকের একান্ত সচিব মুহাম্মদ আবুল হাশেম, রাজনীতিক আহমদ ইলিয়াছ, পূর্ব বাকলিয়া সিটি কর্পোরেশন উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আবু তালেব বেলাল, নির্বাহী প্রকৌশলী ফরহাদুল আলম, স্থানীয় সমাজ সেবক মো.এরশাদ, নাঈম রনি প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

খোরশেদ আলম সুজন আরো বলেন যদি সরকারি নির্ধারিত টিউশন ফি সাড়ে ৩ হাজার টাকা ও মাসের ৩৫০ টাকা বেতন দিতে অভিভাবকরা অপারগতা প্রকাশ করেন তাহলে কর্পোরেশনের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান চলবে কেমনে? এই পরিস্থতিতে চসিক পরিচালিত প্রতিষ্ঠান চালাতে গিয়ে,পৌরকার বৃদ্ধি করলে,তা নগরবাসীর জন্য বোঝা হয়ে যাবে। তাই অভিভাবকরা সন্তানদের সুন্দর-সুনিশ্চিত ভবিষৎ নির্মাণের স্বার্থে অপ্রয়োজনীয় খরচ কমিয়ে শিক্ষার পিছনে প্রয়োজনীয় ব্যয় অব্যাহত রাখবেন এটা আমার প্রত্যাশা। এ ক্ষেত্রে আপনাদের যে কোন প্রয়োজন ও সহায়তায় প্রশাসক হিসেবে আমি ও চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন আপনাদের সাথে থাকবে। প্রশাসক বেতন প্রদানের বিষয়ে নিয়ে কোন ধরনের অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হয়ে সরাসরি তার সাথে ফোনে, সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে যোগাযোগ করার আহ্বান জানান। এ নিয়ে অহেতুক রাস্তা-ঘাটে গোলযোগ বা গসিপের প্রয়োজন নাই। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন ও প্রশাসক হিসেবে আমি সবসময় নগরবাসীর সুখ দুঃখে পাশে থাকবো।

রিপ্লাই দিন

Please enter your comment!
Please enter your name here