আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, নিজস্ব বলয় শক্তিশালী করতে নিজের লোক দিয়ে কমিটি করা যাবে না। ত্যাগী কর্মীদের দূরে না রেখে কাছে টেনে নিতে হবে, তাদের রাজনীতির পথ মসৃণ করতে হবে। কারণ তারাই দলের দুঃসময়ে দলের পাশে থাকবে। মানিকগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় তিনি এসব কথা বলেন। সরকারি বাসভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সভায় যুক্ত হন ওবায়দুল কাদের। ওবায়দুল কাদের বলেন, শক্তিশালী এবং গণমুখী সংগঠনের জন্য সাংগঠনিক ঐক্যের বিকল্প নেই। সংগঠনের মজবুত জনভিত্তি তৈরি করতে ঐক্যবদ্ধ হলে থাকতে হবে। সাম্প্রদায়িক অপশক্তি, মাদকসেবী ও চিহ্নিত অপরাধীদের বিষয় থেকে আগেভাগেই সতর্ক থাকতে হবে।

৭ নভেম্বরের বিষয়ে তিনি বলেন, সরাসরি বেনিফিশিয়ারি ছিলেন জেনারেল জিয়া। জেনারেল জিয়া বিপ্লব ও সংহতির মোড়কে সেদিন ষড়যন্ত্র করে অসংখ্য মুক্তিযোদ্ধা সেনা কর্মকর্তাকে হত্যা করেছিলেন। মুক্তিযুদ্ধের মহান অর্জন ও চেতনাকে ভূলুণ্ঠিত করতে, দেশকে পেছনের দিকে নিয়ে যেতে ১৯৭৫ এর ৩ নভেম্বর থেকে ৭ নভেম্বরের মধ্যে অনেক ঘটনাই ঘটেছিল। তিনি আরও বলেন, এদেশে আওয়ামী লীগের শেকড় মাটির অনেক গভীরে, জনগণই আওয়ামী লীগের অস্তিত্বের শেকড়। মানিকগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এডভোকেট গোলাম মহিউদ্দিনের সভাপতিত্বে বর্ধিত সভায় ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ড. আবদুর রাজ্জাক, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ডা. দীপু মনি, সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহেদ মালেক এবং এমপি নাইমুর রহমান দুর্জয়, মমতাজ বেগম ও মানিকগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবদুস সালাম।

রিপ্লাই দিন

Please enter your comment!
Please enter your name here