বরগুনার আলোচিত রিফাত শরীফ হত্যা মামলার প্রাপ্তবয়স্ক ১০ আসামির রায় আজ। কিছুক্ষণের মধ্যে আসামিদের নিয়ে যাওয়া হবে আদালতে। এর মধ্যে মামলার অন্যতম আসামি ও নিহত রিফাতের স্ত্রী আয়শা সিদ্দিকা মিন্নিও আদালতে উপস্থিত হয়েছেন। বাবা মোজাম্মেল হোসেন কিশোর আজ সকাল পৌনে ৯টার দিকে মোটরসাইকেলে করে তাঁকে আদালতে নিয়ে আসেন। এ সময় মিন্নি সাদা থ্রিপিস পরা ছিলেন।

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সকালে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক আসাদুজ্জামানের আদালতে এ রায় দেয়ার কথা রয়েছে। ইতোমধ্যে বিচারক এসে উপস্থিত হয়েছেন বলে জানা গেছে।

তবে অন্য আসামিদের এখনো আদালতে হাজির করা হয়নি। তাদের হাজিরের অপেক্ষায় গণমাধ্যমকর্মীরা। আদালত এলাকায় নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা বরগুনা সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. হারুন বলেন, ‘রায়কে ঘিরে আদালত এলাকায় সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। আদালতের সামনে সাতটি স্তরে এবং আদালতের বাইরে চার প্লাটুন পুলিশ দায়িত্ব পালন করছে। এ ছাড়া শহরজুড়ে প্রতিটি সংস্থার লোকজন দায়িত্ব পালন করছেন।’ বরগুনার পুলিশ সুপার (এসপি) মারুফ হোসেন বলেন, ‘রায় নিয়ে পুরো বরগুনা শহর নিরাপত্তার চাদরে ঢাকা হয়েছে। সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।’ গত বছরের ২৬ জুন প্রকাশ্যে নৃশংসভাবে কুপিয়ে হত্যা করা হয় রিফাত শরীফকে। মামলার ২৪ আসামির মধ্যে নিহত রিফাতের স্ত্রী আয়শা সিদ্দিকা মিন্নিসহ প্রাপ্তবয়স্ক ১০ আসামির রায় ঘোষণা করবেন জেলা ও দায়রা জজ মো. আছাদুজ্জামান। যদিও মামলার প্রধান আসামি মো. সাব্বির আহম্মেদ নয়ন ওরফে নয়নবন্ড পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হন এবং অন্য একজন আসামি মো. মুসা পলাতক।

১০ আসামির ৮ জনকে আদালতে নিয়ে যাওয়া হবে। এখনও পলাতক আসামি মুসা বন্ড। বাকি আসামি রিফাত ফরাজী, রাব্বি আকন, মোহাইমিনুল ইসলাম সিফাত, টিকটক হৃদয়, হাসান বন্ড, রাফিউল ইসলাম রাব্বি, সাগর ও কামরুল ইসলাম সায়মুনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধারায় অভিযোগ রয়েছে।

মন্তব্য করুন

আপনার কমেন্ট লিখুন
আপনার নাম লিখুন